
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর গোরহাঙ্গা ফুরকানিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দের ২ লাখ টাকা মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খাদেম গোপনে উঠিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার নাম পরিবর্তন করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পা।
বিষয়টি নিয়ে জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদ্রাসা কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, মসজিদের জন্য বরাদ্দ ২ লাখ টাকা ও মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দ ২ লাখ টাকা মোট ৪ লাখ টাকা। মসজিদের কমিটি আলাদা মাদ্রাসা কমিটি আলাদা। মাদ্রাসার টাকা কেন মসজিদ কমিটির সভাপতি তুলবেন। উত্তোলন করা টাকা মাদ্রাসায় না দিয়ে নিজের কাছে কেন রাখবে।
মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, ৩০০০ টাকার বেশি খরচ হলে সবাইকে জানিয়ে খরচ করতে হবে। কিন্তু এ টাকা সভাপতি কেন না জানিয়ে খরচ করেছে এ বিষয়ে আমাদের কোন কিছু জানা নেই।
মসজিদের খাদেম সালাউদ্দিন বলেন, সভাপতি আমাকে ফোন দিয়ে বলে মসজিদের জন্য অনুদানের টাকা এসেছে উত্তোলনের জন্য সই করা লাগবে । আমি শুধু সেখানে গিয়ে সই করেছি।
কিছুক্ষণ পরে সই করার কথাটি অস্বীকার করে খাদেম বলেন আমি কিছু জানিনা সইটি আমার না। পরবর্তীতে তিনি আরো বলেন এই কথাটা সভাপতি আমাকে বলতে বলেছে এবং তিনি আমাকে ক্যামেরার সামনে আসতে নিষেধ করেছে। প্রয়োজনে ফোন বন্ধ করে রুমের মধ্যে থাকতে বলেছে।
এ বিষয়ে সভাপতি কামরুজ্জামান মুকুলের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঢাকায় আছি এ বিষয়ে আমি কোন প্রকার কথা বলবো না এখন। বাসায় গিয়ে সামনাসামনি কথা বলব। আমার নামে যারা এসব কথা বলতেছে তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারতেছে না বলেই এসব করতেছে। খাদেমকে ফোন বন্ধ করে রুমে থাকার কথাটি তিনি অস্বীকার করেছেন।
জানা যায়, কামরুজ্জামান একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে সেই মামলা থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেন । আরো জানা যায় কামরুজ্জামানের নামে দুদকে মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গোরহাঙ্গা ফুরকানিয়া মাদ্রাসা নাম পরিবর্তন করে গোরহাঙ্গা হাফেজিয়া মাদ্রাসা নামকরণ করে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রাজিব আলী
পুবালী মার্কেট শিরোইল কাচা বাজার রাজশাহী
মোবাইল : ০১৭১২-৪৫৪৬৮০, ০১৭৮৯৩৪৫১৯৬
মেইল : info@prokashkal.com
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৪ | সাইট তৈরি করেছে ইকেয়ার