
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন খোঁজাপুর জাহাজঘাট এলাকায় মোসা. আসমানী খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে খোঁজাপুর জাহাজঘাট এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আসমানী খাতুন বোয়ালিয়া থানার সিরোইল স্টেশনপাড়া এলাকার অটোরিকশাচালক মো. মিন্টুর মেয়ে এবং মতিহার থানার খোঁজাপুর জাহাজঘাট এলাকার মো. বিশালের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী তাদের বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
নিহতের বাবা মো. মিন্টু জানান, বিয়ের পর থেকেই তার জামাতা বিশাল তার মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি জামাতার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাকে লক্ষাধিক টাকাও দেওয়া হয়। শনিবার বেলা প্রায় সোয়া ১১টার দিকে তার জামাতা ফোন করে দ্রুত বাড়িতে যেতে বলেন। পরে তিনি স্ত্রী ও মাকে নিয়ে খোঁজাপুর জাহাজঘাট এলাকায় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে ঘরের ভেতরে বাঁশের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেয়েকে ঝুলন্ত দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে নিচে নামিয়ে অটোরিকশাযোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, তার মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাই তার ধারণা, আসমানীকে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে মতিহার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, গৃহবধূর মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রাজিব আলী
পুবালী মার্কেট শিরোইল কাচা বাজার রাজশাহী
মোবাইল : ০১৭১২-৪৫৪৬৮০, ০১৭৮৯৩৪৫১৯৬
মেইল : info@prokashkal.com
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২৪ | সাইট তৈরি করেছে ইকেয়ার