আজ- বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজাদপুরে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

by Prokash Kal
১৮৭ views

শাহান আলী, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি ও রবি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি বিভাগ এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার নাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ কামরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রবি মৌসুমে সরিষা, গম, ভুট্টা, চিনাবাদাম, পেঁয়াজ, মসুর, খেসারি, মাসকালাই ও অরহরসহ নয়টি ফসলের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শাহজাদপুর উপজেলার মোট ১০ হাজার ৮০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। প্রতি কৃষককে ১ কেজি সরিষার বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সরকার কৃষকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে রবি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদের প্রতি আগ্রহী হতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকেরা সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিনামূল্যে বীজ ও সার পাওয়ায় তাঁদের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমে যাবে এবং লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় শাহজাদপুর উপজেলায় প্রতিবছর রবি মৌসুমে বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রমের ফলে এ অঞ্চলের কৃষকরা ধান, সরিষা, ডাল ও পেঁয়াজ চাষে ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব।

You may also like

Leave a Comment

শিরোনাম: