স্টাফ রিপোর্টার :
সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সারা দেশে চলমান শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী প্রেসক্লাবের এক জরুরি সভায় এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা মামুন। তিনি বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা বেড়েই চলেছে। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
তিনি আরও জানান, আসন্ন মানববন্ধনে রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকারকর্মী এবং সচেতন নাগরিকরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শাহরিয়ার অন্তু, দৈনিক রাজশাহীর আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আজিবার রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ নুরে ইসলাম মিলন, সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজশাহী প্রেসক্লাবের সদস্য অলিউল রহমান বাবু, দপ্তর সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন বাবু, অর্থ সম্পাদক আল-আমীন হোসেন,ক্রীড়া সম্পাদক বাবুল, পাঠাগার সম্পাদক সুরুজ আলী, কার্যনির্বাহী সদস্য রাজিব আলী রাতুল, রাফিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সভায় বক্তারা অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। রাজশাহী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মানববন্ধন সফল করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাজশাহী
বোয়ালিয়া থানার ওসির বিরুদ্ধে আরএমপি কমিশনার বরাবর একাধিক অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, হয়রানি, মনগড়া এজাহার তৈরির অভিযোগসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে একাধিক ভুক্তভোগী রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নগরীর ভদ্রা সেরিকালচার মসজিদ এলাকায় গত ১ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন ব্যক্তি একটি ভাঙারির দোকানে ঢুকে মারধর, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিশা খাতুন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নিতে গড়িমসি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি ওসির নির্দেশনা অনুযায়ী এজাহার না লিখলে মামলা গ্রহণ করা হবে না বলেও অভিযোগ করা হয়। পরে তিনি আরএমপি কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
এ ঘটনায় মনিরুল ইসলাম শরীফ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে, তিনি ঘটনার সময় ঢাকায় অবস্থান করেন, পরবর্তীতে আহত বাবা-মা ও বোনকে দেখতে রাজশাহীতে আসেন। এরপর প্রতিপক্ষের দায়ের করা পাল্টা মামলায় তাকে প্রধান আসামি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি ন্যায়বিচার চেয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেন।
অন্যদিকে, নগরীর শিরোইল টার্মিনাল এলাকায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ড্রাইভার মিজানকে আসামি করা হলেও যুবদল নেতা নিজামকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার বাদী থানায় উপস্থিত হয়ে আটক ব্যক্তি তার মামলার আসামি নন বলে জানালেও তাকে বিস্ফোরক মামলায় চালান দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মহানগর যুবদল ওসি রবিউল ইসলামের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও আরএমপি কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।
এছাড়া গত ১০ মে নারী উদ্যোক্তা মাফরোজা বেগম অভিযোগ করেন, তাকে মারধর, দোকান ভাঙচুর ও টাকা লুটের ঘটনায় মামলা করতে গেলে থানায় বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে মামলা গ্রহণ করা হয়। তিনি এ বিষয়ে আরএমপি কমিশনার ও আইজিপি সেল বরাবরও লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, থানায় মামলা করতে গেলে প্রকৃত ঘটনা এজাহারে উল্লেখ না করে ওসি নিজের মতো করে অভিযোগপত্র সাজিয়ে দেন। তার নির্দেশনার বাইরে লিখলে মামলা নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়।
এছাড়া থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, চা বানিয়ে খাওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওসি রবিউল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই বোয়ালিয়া থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এমন কর্মকাণ্ড পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
এদিকে, একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও ওসির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তার প্রত্যাহার এবং বোয়ালিয়া থানায় দক্ষ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তার নিয়োগ দাবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কাশিয়াডাঙ্গা এবং চন্দ্রিমা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, বোয়ালিয়া থানার পঞ্চবটি শেখেরচক গ্রামের নজরুল ইসলাম নজুর স্ত্রী নাজমা বেগম (৫০), কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া গ্রামের মো: শামীম হোসেন মিঠুর ছেলে মো: রহিত হোসেন রাব্বি (২৬), চন্দ্রিমা থানার ললিতাহার গ্রামের মৃত কছের মন্ডলের ছেলে মো: আলাল উদ্দীন (৩৫) এবং একই থানা ও গ্রামের মো: নুরুল হুদার ছেলে মুকুল আহাম্মদ (২৮)।
গতকাল ১৯ মে ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬ টার দিকে বোয়ালিয়া থানার শেখেরচক এলাকা থেকে নাজমাকে, একই তারিখ ও সময়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকা থেকে রাব্বিকে, একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১ টার দিকে চন্দ্রিমা থানার ললিতাহার এলাকা থেকে আলাল উদ্দিনকে এবং গত ১৮ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১০ টার দিকে চন্দ্রিমা থানার ললিতাহার এলাকা থেকে মুকুলকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে ১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার এবং মাদক বিক্রির নগদ ৭শ ৬০ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে আঞ্চলিক পর্যায়ের ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় কাবাডি বালক ও বালিকা উভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী জেলা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস যৌথভাবে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
সমাপনী অনুষ্ঠান ঘিরে বিকেল থেকেই স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোর প্রতিযোগীরা নির্ধারিত পোশাকে মাঠে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেয়। গ্যালারিতে অভিভাবক, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও বর্ণিল সাজসজ্জায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ। তিনি বলেন, খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ শেখায়। নতুন প্রজন্মকে সুস্থ ও মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি শিশু-কিশোরদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও নৈতিক শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছান। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক ও সুধীজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতায় কাবাডি বালক বিভাগে রানার্সআপ হয়েছে বগুড়া জেলা এবং কাবাডি বালিকা বিভাগে রানার্সআপ হয়েছে জয়পুরহাট জেলা। ক্রিকেট বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়া জেলা ও রানার্সআপ হয়েছে রাজশাহী জেলা। ক্রিকেট বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়া জেলা এবং রানার্সআপ হয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলা। ফুটবল বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়া জেলা ও রানার্সআপ হয়েছে রাজশাহী জেলা। ফুটবল বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নওগাঁ জেলা এবং রানার্সআপ হয়েছে বগুড়া জেলা।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে নানা অপরাধের অভিযোগে মোট ২৫ জন আটক হয়েছে।
মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত ১২ জন এবং অন্যান্য মামলায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রুয়েট প্রতিনিধি:
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) রোভার গবেষণা ও উদ্ভাবনী দল “টিম অগ্রদূত” আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স অঙ্গনে আবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোভার প্রতিযোগিতা Anatolian Rover Challenge (ARC) 2026-এ অংশ নিয়ে দলটি বিশ্বব্যাপী ১৩তম স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে ডিজাইন ক্যাটাগরিতে ৫০-এর মধ্যে ৪৮.৫৯ নম্বর পেয়ে প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা স্কোরও অর্জন করেছে তারা।
জানা গেছে, আগামী ২৯ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত তুরস্কের আঙ্কারায় অবস্থিত Middle East Technical University (METU) ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতাটির মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ রোভার দলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে রুয়েটের “টিম অগ্রদূত”।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই “টিম অগ্রদূত” দেশ-বিদেশের বিভিন্ন রোভার ও স্পেস রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আসছে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত Indian Rover Challenge-এ অংশ নিয়ে দলটি এশিয়ার শীর্ষ প্রতিযোগীদের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে পোল্যান্ডে আয়োজিত European Rover Challenge-এ বিশ্বব্যাপী ২৭তম স্থান লাভের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দেয়।
একই ধারাবাহিকতায় International Rover Design Challenge (IRDC) 2023-এ দলটি বিশ্বে ১১তম এবং বাংলাদেশের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। এছাড়া IRDC 2025-এ Semi-Finalist এবং IRC 2025-এ Finalist হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম সফল রোভার টিম হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে তারা।
প্রতিযোগিতামূলক অর্জনের পাশাপাশি বাস্তবমুখী প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও দলটির অবদান উল্লেখযোগ্য। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য একটি Bomb Disposal Robot তৈরি করে “টিম অগ্রদূত”, যা তাদের গবেষণা সক্ষমতা, প্রকৌশল দক্ষতা এবং বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দলটির সদস্যরা জানান, তাদের মূল লক্ষ্য উন্নত Autonomous Rover Technology নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন এবং তরুণ প্রকৌশলীদের হাতে-কলমে উদ্ভাবনী কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের অনুপ্রাণিত করাও তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বর্তমানে দলটি ARC 2026-এর চূড়ান্ত প্রস্তুি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। অত্যাধুনিক রোভার ডিজাইন, অটোনোমাস নেভিগেশন, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং রিয়েল-টাইম অপারেশনভিত্তিক গবেষণায় তাদের চলমান কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরা এবং বিশ্ব রোবোটিক্স অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে রুয়েটের “টিম অগ্রদূত”।
তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে দলবেঁধে শ্লীলতাহানি ও মারধর: ৭ দিনেও গ্রেফতার হয়নি কেউ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীর তানোরে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে দলবেঁধে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত বা অজ্ঞাত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, কামারগাঁ ইউনিয়নের মালশিরা গ্রামের বাবু ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন (১৯), হেরাজ উদ্দিনের ছেলে হিমেল ইসলাম (২৮), মাড়িয়া গ্রামের জিয়ার উদ্দিনের ছেলে জুয়েল ইসলাম (২৭), রহিম মিস্ত্রির ছেলে সবুজ ইসলাম (১৭), মোজামের ছেলে নাইম (২৫), আজহার আলীর ছেলে ফয়সাল (২৬), তানোর পৌর এলাকার কাশিমবাজারের বাবু আজাদ (২৭), আমশো গ্রামের রিদয় (২০)সহ আরও কয়েকজন।
পুলিশ জানায়, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে তারা সবাই আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, “আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আমি নিজেও কাশিমবাজার এলাকায় অবস্থান করছি। কোনোভাবেই অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।”
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষা শেষে তানোর পৌর এলাকার কাশিমবাজার টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে বের হয়ে বাড়ি ফেরার জন্য ভ্যানে উঠেন ওই শিক্ষার্থী। এসময় একদল বখাটে তার হিজাব ও বোরখা টেনে তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে মারধর করে। স্থানীয় লোকজন ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, “আমি পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে ভ্যানে উঠেছিলাম। তখন তারা আমার হিজাব ও বোরখা টেনে আমাকে নামিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে। আমি কোনোভাবে সেখান থেকে পালিয়ে থানায় যাই। যারা আমার সঙ্গে এভাবে প্রকাশ্যে নির্যাতন করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ভিডিও সাক্ষাৎকার দিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় বখাটেদের উৎপাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্কুল-কলেজ ও কোচিং সেন্টারের আশপাশে শিক্ষার্থীদের প্রায়ই হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনেকে সামাজিক লজ্জা ও ভয় থেকে মুখ খুলতে চান না।
স্থানীয়রা আরও বলেন, “একজন পরীক্ষার্থীও এখন নিরাপদ নয়। প্রকাশ্যে একজন ছাত্রীর হিজাব-বোরখা টেনে খুলে ফেলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। এসব ঘটনায় প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে।”
এদিকে, এর আগে গত ১২ মে তালন্দ এএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শেষে বের হওয়া এক শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে কয়েকজন তরুণের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় ওই শিক্ষার্থীর ফুফাতো ভাইকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে এ ঘটনার জের ধরে চৌবাড়িয়া বাজারেও মারপিটের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, আগের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরবর্তীতে পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না। তারা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৬ উপলক্ষে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত সময়ে অপসারণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন সম্পর্কে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সচিব, ওয়ার্ড সুপারভাইজার এবং পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং, পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ও কেন্দ্রীয় সুপারভাইজাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) নগর ভবনের এনেক্স হলরুমে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভায় রাসিক প্রশাসক কোরবানির বর্জ্য দ্রুত সময়ে অপসারণে সকলকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার নির্দেশনা দেন। এ সময় দ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথভাবে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ওয়ার্ড সচিব, ওয়ার্ড সুপারভাইজার এবং পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং, পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ও কেন্দ্রীয় সুপারভাইজারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নগরবাসীর সেবার করার সুযোগ দিয়েছেন। সেই দায়িত্ব আমি যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আসন্ন কোরবানির বর্জ্য দ্রুত সময়ে অপসারণে সকলকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে। ঈদের পরদিনই রাজশাহী মহানগরবাসীকে আমরা পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দিতে চাই। ঈদের দিবাগত রাতের মধ্যেই সকল বর্জ্য অপসারণের করা হবে।
রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রথমবারের মতো রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নাগরিকদের জন্য কোরবানির মাংস স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ এবং বর্জ্য অপসারণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার প্রদান করা হবে। কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহীকে শুধু দেশে নয়, সারাবিশ্বে পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে পরিচিত করতে চাই। এ কাজের আমি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম। সভায় রাসিকের সচিব সোহেল রানা, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার, তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন (পরাগ)। সভা সঞ্চালনা করেন উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু। সভায় ওয়ার্ড সচিব, ওয়ার্ড সুপারভাইজার এবং পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং, পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ও কেন্দ্রীয় সুপারভাইজাররা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সকালে নগরীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক মো. মঞ্জিল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস.এম. তুহিনুর আলম, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অগ্নিকাণ্ড ও বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত সেবাদানের সক্ষমতা বাড়াতে এই সপ্তাহের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা সবাইকে আগুন ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। “অগ্নিযোদ্ধাদের একটাই পণ, নিরাপদ রাখবো সম্পদ ও জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া, সচেতনতামূলক সভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম বিষয়ক প্রদর্শনী। আয়োজকরা জানান, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতি বাড়ানোই মূল লক্ষ্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে রাজশাহী মহানগরীর মতিহার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামি মোঃ হাসিবুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ । মঙ্গলবার (১৯ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
নিহত গোলাম মোস্তফা মতিহার থানার ডাঁশমারী এলাকার মৃত তৈমুর আলীর ছেলে। অভিযুক্তদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও একাধিক মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফা এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। খোঁজাপুর এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও অব্যবহৃত গুলি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসাঃ নাজেরা বেগম মতিহার থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
