
মো: শাহান আলী, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৮ মে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ৩ জুলাই তারা সম্পদের হিসাব দুদকে জমা দেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকা অবৈধ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ ভোগের অভিযোগ রয়েছে।
এসব অপরাধ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য। রোববার (৩ মে) দিবাগত রাতে পাবনা সদর উপজেলার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।
বর্তমানে আবুল কালাম আজাদ শাহজাদপুর উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। গ্রেফতারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
দুদকের পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর জানান, রবিবার রাতে পাবনা সদরের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
