নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁদের কাছ থেকে ১০৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাটোর সদর থানার দক্ষিণ বড়গাছা বড়মোড় থেকে ছোটমোড়গামী সড়কে আসাদ কম্পিউটার দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৫-এর নাটোর ক্যাম্পের একটি দল এ অভিযান চালায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আলিপুর মহিষালবাড়ী এলাকার সাকিবুর রহমান সাকিব (৩৮) এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর জোরপুকুরিয়া এলাকার মিন্টু আকন্দ (৪৩)।
র্যাব-৫ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাকিব ও মিন্টুকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব তাঁর পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে মাদক রাখা হয়েছে বলে জানান। এরপর উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাঁর কাছ থেকে ১০৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব জানিয়েছেন, রনি নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে হেরোইন সংগ্রহ করে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে বহন করে মিন্টু আকন্দের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নাটোরে এসেছিলেন।
র্যাব-৫ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আপরাধ ও দূনীতি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) চন্দ্রিমা, পবা, রাজপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা থানা-পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ১৩ হাজার ১৩০ টাকা জব্দসহ নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরএমপি সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ আগস্ট রাত ১০টার দিকে চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ শিরোইল কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তসলিম (৩৮) ও নাহিনা হাসান নিলয় (২১) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তসলিমের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা সাতটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ৯১ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। নিলয়ের কাছ থেকে আরও দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তসলিমের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা রয়েছে। নিলয়ের বিরুদ্ধেও চন্দ্রিমা থানায় একটি মাদক মামলা এবং রাজশাহীর সিএমএম আদালতে একটি নন-জিআর মামলা রয়েছে।
একই দিন বেলা পৌনে তিনটার দিকে চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ হাজরাপুকুর নিউ কলোনি এলাকায় শ্যামলী বেগম (৪৪)-এর বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় শ্যামলী বেগম ও তাঁর সহযোগী রাহুল ইসলাম ওরফে মুন্না (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ২২ হাজার ১৩০ টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে শ্যামলী বেগমের সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। শ্যামলীর বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় পেনাল কোড আইনে দুটি এবং Negotiable Instruments Act, 1881-এ একটি মামলা রয়েছে। রাহুলের বিরুদ্ধে রাজশাহী রেলওয়ে থানায় পেনাল কোড আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এদিকে, একই দিন সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে পবা থানা-পুলিশ হাটগোদাগাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাইনুল ইসলাম রনি (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ছয়টি ট্যাপেন্টাডল ও তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। রনির বিরুদ্ধে পবা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
রাত আনুমানিক আটটার দিকে রাজপাড়া থানা-পুলিশ দাশপুকুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রায়হান ইসলাম অনন্ত ওরফে সোহান (২০)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া গত ১১ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা-পুলিশ হড়গ্রাম নতুনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল সাত্তার (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে তিনটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আরএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাজশাহীতে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজাসহ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিশেষ মাদকবিরোধী টিম। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩৭ হাজার ১৫০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরের রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—লক্ষ্মীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও বাদলের মেয়ে মোছা. জলি বেগম (৪৪) এবং একই এলাকার মো. জয়দুল ইসলামের স্ত্রী ও মৃত আজগর আলীর মেয়ে মোছা. মিনা বেগম (৪৫)।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ মাদকবিরোধী টিম প্রথমে জলি বেগমের বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। পরে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১ হাজার ৪৪ পিস ট্যাপেন্টাডল, ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১ কেজি ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বিক্রির নগদ ৩৭ হাজার ১৫০ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জলি বেগমের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় আগের ১৭টি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাঁকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ গত ২৮ জুন একটি মাদক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, মিনা বেগমের বিরুদ্ধেও রাজপাড়া থানায় আগের দুটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে জলি বেগমের সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহিনা পারভীন তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রজ্ঞাপনে আগামী বৃহস্পতিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্যে তাকে ঢাকায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে সেদিন বিকেলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে। একই প্রজ্ঞাপনে মাউশিতে ওএসডি থাকা বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুল আলমকে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবীর মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হয়েছিলেন গত ২৫ জুন। এর দেড় মাসের মাথায় তাকে পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে ওএসডি করা হলো।
কারণ জানতে চাইলে মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘এটা তো আমি জানি না। এটা তো প্রশাসনিক ব্যাপার। পলিটিক্যাল ব্যাপার থাকতে পারে। কারও পছন্দ না হলে বদলি করাতে পারে।
তিনি বলেন, ‘এটা কোনো শাস্তিমূলক বদলি নয়। যখন পদ থাকে না, তখন তাদেরকে ওএসডি করা হয়। আমাকে রাজশাহীতে দেওয়ার মতো কোনো পদ নেই। তাই ওএসডি করেছে।
আওয়ামী লীগের আমলে সুবিধাভোগী হুমায়ূন কবীরকে নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছিল। পরে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ও এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ছয় মাস তিন দিন কারাগারে থাকার পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।
ওই মামলায় আদালতে সাজা হওয়ায় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরখাস্ত ছিলেন মো. হুমায়ূন কবীর। পরবর্তীতে তিনি চাকরি ফিরে পান। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ছিলেন।
রাজশাহী রেঞ্জে অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা, জোর দেওয়া হলো মাদক ও সাইবার অপরাধ দমনে
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী রেঞ্জের জুলাই ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রেঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মাদকবিরোধী অভিযান, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
সোমবার সকাল ১১টায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পদ্মা সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) মো. আশিক সাঈদের সভাপতিত্বে সভায় রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটের প্রধানেরা অংশ নেন।
সভায় রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন জেলাগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জুলাই মাসে সংঘটিত অপরাধের চিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তের অগ্রগতি, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ডিআইজি বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত তামিল, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধের ধরন ও প্রবণতা বিশ্লেষণ করে আগাম ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের গাফিলতি করা যাবে না।
সভায় গত জুন ও জুলাই মাসে রাজশাহী রেঞ্জের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ কার্যক্রমের মাধ্যমে মামলা রহস্য উদ্ঘাটন, মাদকদ্রব্য ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
সভায় কমান্ড্যান্ট (অ্যাডিশনাল ডিআইজি), আরআরএফ, রাজশাহী; অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), রাজশাহী রেঞ্জ; অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট), রাজশাহী বিভাগ; রাজশাহী রেঞ্জাধীন বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার এবং রেঞ্জ কার্যালয়সহ বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার, নগদ টাকা ও স্কুটি জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন ইউনিট। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজনকে মাদক বিক্রির অভিযোগে এবং একজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে মোট ৮৫টি ইয়াবা ও ৪১টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ২৫০ টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও একটি স্কুটি জব্দ করা হয়েছে।
আরএমপি সূত্রে জানা গেছে, ৮ ও ৯ আগস্ট মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কাটাখালী, চন্দ্রিমা ও কর্ণহার থানা-পুলিশ পৃথক এসব অভিযান পরিচালনা করে।
৯ আগস্ট রাত সাড়ে আটটার দিকে ডিবির একটি দল মতিহার থানার ডাঁশমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম (৪৭) ও সিজান আলী (২৩) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রফিকুলের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সিজানের কাছ থেকেও চারটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে ৮ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে বোয়ালিয়া থানার রানীনগর গ্রামের অলোকার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তপু চন্দ্র দাস (৩৮) ও রাহাদ আহমেদ ওরফে রাফি (৩০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাঁদের কাছ থেকে ৩১টি ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ১ হাজার ২৫০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এ সময় মোবাশ্বের হাবিব ওরফে দিপ্ত (২৮) ও অন্তু (৩৫) নামের দুজন পালিয়ে যান। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্তু’র বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোবাশ্বের হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি এবং রাহাদ আহমেদের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, ৯ আগস্ট রাত পৌনে নয়টার দিকে কাটাখালী থানার পুলিশ শ্যামপুর আবহাওয়া অফিসসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তালহা (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২৬টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি স্কুটি জব্দ করা হয়েছে।
ওই রাতেই পৌনে ১০টার দিকে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ মেহেরচন্ডী উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে টুটুল ইসলাম (২৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বসতবাড়ি থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৫টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ৯ আগস্ট সকাল পৌনে ১১টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ স্বরমংলা গ্রামের একটি বাড়ির খোলিয়ানে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানা (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আবির-সম্রাটের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক আবির হোসেন এবং সাংবাদিক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী মহানগর শাখা।
সোমবার (১০ আগস্ট) নগরের সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাও কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলী বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে রাজশাহীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক জিতু অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তিনি হীরা ও হেলালসহ মামলার সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল বলেন, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলী বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
কর্মসূচির সঞ্চালক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহম্মেদ রেন্টু বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে রাজশাহীতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২ আগস্ট রাজশাহীর শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আবির হোসেন, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং সাংবাদিক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাট হামলার শিকার হন। এ সময় তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আবির হোসেন রাজশাহী মহানগরের শাহমখদুম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং দৈনিক গণকণ্ঠের ফটোসাংবাদিক। একই ঘটনায় দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটও হামলার শিকার হন বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় হীরা ও হেলালসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখনো তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকরা।
কর্মসূচিতে রাজশাহী মহানগর ও বিভিন্ন থানা-ওয়ার্ড পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং আবির হোসেনের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম, টেন্ডার বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংস্থাটির ৯ নির্বাহী প্রকৌশলীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের অনুসন্ধানে তাঁদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
গত ৩ আগস্ট বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালককে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয় দুদক। চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তলব করা কর্মকর্তারা হলেন—নাজমুল হুদা, এনামুল কাদির, তোফাজ্জল আলী সরকার, এটিএম রফিকুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, রেজাউল করিম, মনিরুজ্জামান, রুবিনা খাতুন ও সানজিদা খানম মলি।
দুদকের চিঠি অনুযায়ী, নাজমুল হুদা, এনামুল কাদির, তোফাজ্জল আলী সরকার ও এটিএম রফিকুল ইসলামকে ১২ আগস্ট এবং রেজাউল ইসলাম, রেজাউল করিম, মনিরুজ্জামান, রুবিনা খাতুন ও সানজিদা খানম মলিকে ১৩ আগস্ট হাজির হতে বলা হয়েছে।
বিএমডিএ সূত্রের দাবি, তলব করা কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পে ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কমিশন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে সানজিদা খানম মলিসহ তিন কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চলতি দায়িত্বে নির্বাহী প্রকৌশলী করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান এখনো চলমান। অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা খানম মলির বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী এনামুল কাদির দুদকের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে দাবি করেছেন তিনি।
বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী ডা. আবুল কাশেম বলেন, “বিষয়টি আমি তাঁদের মুখ থেকেই শুনেছি। তাঁরা দুদকের চিঠি পেয়েছেন। দুদক তাঁদের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আগামী ১২ ও ১৩ আগস্ট তলব করেছে বলে জানতে পেরেছি। আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি। কোন অভিযোগ বা কী কারণে তাঁদের তলব করা হয়েছে, এর চেয়ে বেশি কিছু আমি জানি না।”
দুদকের অনুসন্ধান শেষ হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
রাজশাহীতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিশেষ মাদকবিরোধী টিম।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর আইডি বাগানপাড়া এলাকার রেললাইনের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাজপাড়া থানার দাশপুকুর বউবাজার গ্রামের মো. সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিল হোসেন (৩০) এবং বহরমপুর গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে মো. মাহাবুব হোসেন (২৮)।
আরএমপি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩৮ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৪১০ টাকা এবং মাদক বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
