
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করেছেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। রোববার (২৩ জানুয়ারি) এক প্রেস সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি ।
এ সময় তিনি বলেন তার এলাকার ছোট ভাই মো. আসাদুজ্জামান জনি ও সৈকত পারভেজের বিরুদ্ধে একটি তথাকথিত সংবাদ সম্মেলনে কুরুচিপূর্ণ ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিনি জানান, মো. আসাদুজ্জামান জনি রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং সৈকত পারভেজ স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক। সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময় তারা কেউই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। অথচ বিএনপির দলীয় পরিচয়কে ব্যবহার করে পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে এবং দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যেখানে জমির মালিকের নামে বৈধভাবে খতিয়ানভুক্ত মালিকানা রয়েছে, সেখানে অপরপক্ষ তথাকথিত ক্রেতা হয়েও আওয়ামী লীগ–ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে এসেছে। জমি দখলের উদ্দেশ্যে তারা এলাকায় ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত।
সাজ্জাদ দাবি করেন, জমির প্রকৃত মালিক একজন বয়োবৃদ্ধ, দিনমজুর ও নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তিনি অভিযোগ করেন, নিরীহ লোকের পক্ষে অবস্থান নিলেই মামলা ও নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের হুমকি দেওয়া হয়। বিবাদীরা অল্প কিছু জমি ক্রয় করে পুরো জমি দখলের পাঁয়তারা করছে এবং নিরীহ মানুষকে টার্গেট করে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নাম জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এক সময় বিবাদীপক্ষ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
২৩ জানুয়ারি ফেসবুকে প্রচারিত তথাকথিত সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ও বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও দপ্তর সম্পাদকের বিরুদ্ধে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে এবং তাদের জড়িত বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। এই জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনার সঙ্গে তারা আদৌ জড়িত নন। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তির দাবি করেন ।
