
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লিমিটেডের প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
রোববার (২০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর হেতমখাঁ এলাকায় নেসকোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘রাজশাহীবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নেসকোর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে এ অঞ্চলের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব কমে যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক উন্নয়ন ও বিদ্যুৎসেবার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “রাজশাহীর মানুষ কোনো বাড়তি সুবিধা দাবি করছে না। তারা শুধু দীর্ঘদিনের অর্জিত অবস্থান ও ন্যায্য অধিকার ধরে রাখার দাবি জানাচ্ছে।”
তিনি বলেন, নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করে রাজশাহীতেই বহাল রাখা উচিত।
বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম বিএনপির সভাপতি শামসুল হক মিলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা জানান, দাবি মেনে নেওয়া না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতীকী পাঁচ মিনিটের হরতালের কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ডিজিটাল মিটার চালুসহ বিভিন্ন কারণে নেসকোর অনেক কর্মী কর্মহীন হয়েছেন। রাজশাহীতে শিল্পায়নের সুযোগ সীমিত থাকায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। এ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
মানববন্ধন শেষে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা নেসকোর প্রধান কার্যালয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁতি দলের সভাপতি কাজল, বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম বিএনপির সভাপতি শামসুল হক মিলু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মজিবুল হক মিলন, ১২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি রাকিব, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
