নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
সাধারণ সভা আহ্বান ও দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের একদল শ্রমিক। একই সঙ্গে বর্তমান কমিটি থেকে আওয়ামী লীগের ‘দোসরদের’ অপসারণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে নগরীর রেলগেট ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণির পরিবহন শ্রমিক অংশ নেন। এ সময় ‘কমিটি বাতিল কর’, ‘অবিলম্বে শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতনের পর শ্রমিক নামধারী কিছু ব্যক্তি ইউনিয়নের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাদের দাবি, ২০১৭ সালের পর থেকে ইউনিয়নে কোনো সাধারণ সভা কিংবা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সাধারণ সভা ও নির্বাচনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
শ্রমিকরা আরও অভিযোগ করেন, ইউনিয়নের সদস্যদের মেয়েদের বিবাহভাতা, ছেলেদের শিক্ষা ভাতা ও মৃতকালীন অনুদানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে শ্রমিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং ইউনিয়নের সাংগঠনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ইউনিয়নের সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সাধারণ সভা আহ্বান করতে হবে। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা।
তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন রাজশাহী জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাইনুল হক মানা।
তিনি বলেন, ‘আজ যারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন, তারা বর্তমান কমিটির অনুমোদনের সময় স্বাক্ষরকারী ছিলেন। হঠাৎ করে তাদের এ ধরনের আন্দোলনের কারণ আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।’
মাইনুল হক মানা দাবি করেন, বর্তমান কমিটি বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরসহ গত ২৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে ঘোষিত নির্বাচনী ফলাফল ২৭ মার্চ শ্রম দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের অনুমোদিত ১৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে। কমিটিটি বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের স্মারক অনুযায়ী ‘রাজ-১৬০৭’ নিবন্ধিত।
এদিকে নির্বাচন ও কমিটির বৈধতা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে শ্রমিক ইউনিয়নে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি যাতে আরও জটিল না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং দ্রুত বিষয়টির সমাধান দাবি করেছেন শ্রমিকরা।
লিড নিউজ
প্রকাশকাল ড্রেস্ক:
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
এর আগে, ৮ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২০ জুলাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ২০ তারিখে ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নেয় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় বসে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।
গত ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান থাকলেও এ বছর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।
রাজশাহীর উদ্যোক্তা মেলা-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত, সম্মাননা পেলেন ৬০ উদ্যোক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত রাজশাহীর উদ্যোক্তা মেলা-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোক্তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাদের সফলতা কামনা করেন।
পরে মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান করতে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন রাসিক প্রশাসক।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় মোট ৬০ জন উদ্যোক্তা ৬০টি স্টলে তাদের উদ্ভাবনী ও দেশীয় পণ্য প্রদর্শন করেন। হস্তশিল্প, পোশাক, খাদ্যপণ্য, হোমমেড সামগ্রীসহ নানা ধরনের পণ্যের সমাহারে মেলাটি দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া পায়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, উদ্যোক্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পণ্যের প্রচার, বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে এ ধরনের মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপহরণ-হত্যাচেষ্টার মামলা: ১৭ দিনেও গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে অপহরণ, হত্যাচেষ্টা, যৌতুক দাবি ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। তাদের দাবি, মামলা হওয়ার পরও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় বিচারপ্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজশাহী মহানগরের একটি স্থানীয় পত্রিকা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর বাবা মো. আব্দুল হাকিম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. এনামুল হক দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী নূরজাহান সুলতানা রেনির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। তার দাবি, প্রায় ১৪০ ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং এক কোটি টাকা যৌতুকের দাবিতে একাধিকবার হত্যাচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ৪ জুলাই রাতে অভিযুক্ত শিক্ষক সাতজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নগরীর কাজলা অক্ট্রয় মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে জোরপূর্বক তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ঘটনাটির প্রতিবাদ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলেও দাবি করেন তারা।
এ ঘটনায় গত ১৯ জুলাই মতিহার থানায় দণ্ডবিধির ৩৬৪/৩৪ ধারায় মামলা (নং-১৪) দায়ের করা হয়। তবে মামলা দায়েরের ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী। তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিপন কুমার সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. এনামুল হক বলেন, “মামলা হয়েছে, থানা ও আদালত বিষয়টি দেখবে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।” এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিপন কুমার সরকার বলেন, “মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করা হবে।”
এ বিষয়ে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরজুন বলেন, তিনি সম্প্রতি থানায় যোগদান করেছেন। বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশকাল ড্রেস্ক:
প্রায় ১ বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া গেছে বাংলাদেশ। মূল সিরিজে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম দিনের প্রথম সেশন শেষেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৪৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান করেছে বাংলাদেশ। ২৬ বলে ১৬ রানে অপরাজিত আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ আর সৌম্য সরকার ১৩ বলে ১০ রানে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় ফিরে যান ওপেনার তানজীদ হাসান তামিম। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলা চালিয়ে গেলেও থেমেছেন ৪৭ বলে ৩১ রানে।
মিডল অর্ডারে তিন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও দায়িত্ব নিতে পারেননি। ধরিগতির ব্যাটিংয়ে ৫৯ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন মুমিনুল। মুশফিক তো ৮ বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
দল যখন ঘোর বিপদে তখন তরুণ অমিত হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন শান্ত। দুজন মিলে কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম সেশনের বাকি অংশ। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরতেই ভাঙে সেই প্রতিরোধ। ৫৩ বলে ৩৭ রানে ফেরেন শান্ত।
এরপর অমিত হাসানও বেশি সময় টিকতে পারেননি। ৬১ বলে ১৫ রান করে আউট হন তরুণ এই ব্যাটার।
প্রকাশকাল ড্রেস্ক:
স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। এবার ভরিতে ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে সবশেষ গত ২৮ জুলাই সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৩১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৩০ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এদিকে, ভরিতে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৮ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৯ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
প্রকাশকাল ড্রেস্ক:
বর্ষার মেঘ, বৃষ্টির সুর আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিল এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক। যে ঋতুকে তিনি তার অসংখ্য কবিতা, গান ও সাহিত্যে অমর করে রেখেছেন, সেই বর্ষারই এক দিনে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছিলেন বিশ্বকবি। আজ ৬ আগস্ট, ২২ শ্রাবণ। বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ এই মনীষীর ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী।
১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ (৭ আগস্ট ১৯৪১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তবে মৃত্যুর আট দশকেরও বেশি সময় পরও তার সাহিত্য, দর্শন, সংগীত ও মানবিক চেতনা সমানভাবে আলোকিত করে চলেছে বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে এবং বিশ্বসংস্কৃতিকে।
মাত্র আট বছর বয়সেই লেখালেখির সূচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র, শিশুসাহিত্য ও গানের অমূল্য ভাণ্ডারে। দুই হাজারেরও বেশি গান রচনা করে তিনি সৃষ্টি করেছেন এক অনন্য সংগীতধারা—রবীন্দ্রসংগীত, যা আজও বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
শুধু সাহিত্য নয়, শিক্ষাচিন্তা, সমাজসংস্কার ও মানবকল্যাণেও রবীন্দ্রনাথ ছিলেন পথিকৃৎ। শিক্ষাকে প্রকৃতি ও মানবিকতার সঙ্গে যুক্ত করার স্বপ্ন থেকে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শান্তিনিকেতন, যা পরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে তিনি কৃষিঋণ ব্যবস্থা এবং পল্লি উন্নয়নমূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা সে সময়ের জন্য ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী পদক্ষেপ।
১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ছিলেন এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য বিশ্বদরবারে এক নতুন মর্যাদা লাভ করে।
মানবতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ কখনো আপস করেননি। ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে মানবিক প্রতিবাদের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (৭ মে ১৮৬১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর খ্যাতনামা ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতা সারদা সুন্দরী দেবীর ১৫ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন ১৪তম। সাহিত্য, সংগীত, দর্শন ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধ পরিবেশে বেড়ে ওঠা রবীন্দ্রনাথ পরবর্তীকালে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার বুকে নৌভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে গভীরভাবে অনুভব করেন। সেই অভিজ্ঞতার ছাপ তাঁর অসংখ্য সাহিত্যকর্মে অমর হয়ে আছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও রবীন্দ্রনাথের গান ছিল সাহস, আশা ও প্রেরণার উৎস। তার রচিত আমার সোনার বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। একইভাবে ভারতের জাতীয় সংগীত জন গণ মন-ও তারই সৃষ্টি। বিশ্বের ইতিহাসে দুই দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অনন্য সম্মানের অধিকারী।
প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, স্মরণানুষ্ঠান, কবিতা পাঠ, সংগীতানুষ্ঠান ও নানা আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্য শ্যামা মঞ্চস্থ করবে ছায়ানট। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল একজন কবি নন; তিনি বাঙালির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক চিরন্তন প্রতীক। সময়ের সীমানা পেরিয়ে তার সৃষ্টি আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, আর তাই ২২ শ্রাবণ শুধু একজন কবির প্রয়াণের দিন নয়, তার অনন্ত উত্তরাধিকারের সামনে শ্রদ্ধাভরে মাথা নত করারও দিন।
শহীদ আঞ্জুমান সাকিবের পরিবারের পাশে আরএমপি, আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তার আশ্বাস
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ আঞ্জুমান সাকিবের পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নিতে বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজশাহীর আলুপট্টি এলাকায় তাদের বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আরএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
সাক্ষাৎকালে পুলিশ কমিশনার শহীদ সাকিবের বাবা-মায়ের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী সব আইনগত প্রক্রিয়ায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
এ সময় তিনি পরিবারের বসতভিটা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে চলমান বিরোধের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে শোনেন। বিরোধের আইনগত নিষ্পত্তিতে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসের পাশাপাশি পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারি বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনারের এই সৌজন্য সাক্ষাতে শহীদ আঞ্জুমান সাকিবের পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান, পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) নাসিদ ফরহাদ, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) মোসা. আরজিনা খাতুন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নোমান এবং বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাছুমা মুস্তারী।
নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী:
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, নেসকো (নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি) কেন, কিছুই রাজশাহী থেকে যাবে না। যারা চাকরি করে, কিছু কিছু হাসিনা ফ্যাসিস্টদের দালাল আছে। তারা এটা নিয়ে একটা ষড়যন্ত্র করত। আর কে কি বলল, কোন কন্টাক্টটা, যে কোথায় যাবে নো দিস ইজ রাজশাহী। রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতে থাকবে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯২ সালে কেবল মেয়র হয়েছি, কর্নেল ওলি যোগাযোগ মন্ত্রী। রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল হেডকোয়ার্টার চট্টগ্রামে নিয়ে যাবেন। নো ফাস্ট মাই রাজশাহী। আমি অনশন করেছি, রানিং মেয়র গভমেন্টে থাকা অবস্থায়। মিছিল করেছি, মিটিং করেছি। আমি জানি ওলি অনেক শক্তিশালী। আমি মাথা নামাইনি, বলেছিলাম মরে পড়ে থাকবো গেটের সামনে। তবুও পশ্চিম অঞ্চল রেল যাবে না। আজও যায়নি। নেসকো কেন, কিছুই রাজশাহী থেকে যাবে না। রাজশাহী মাই ফাস্ট। আমার কাছে মন্ত্রী, এমপি, মেয়র বড় জিনিস নয়। এই মাটিতে আমার জন্ম, এই মাটিতে আমার মৃত্যু। কোনো ভয় পাওয়ার কিছু নাই।
তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের সন্তানদের প্রতি সমবেদনা এবং আহত আমার স্নেহের ছোট ভাইয়েরা সারাদেশে তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই। বীররা যারা কালো পিস ঢালা রাজপথে হাসি মুখে বুকের রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে আবার সঠিক পথে ফিরে নিয়েছেন; সেই শহীদদের ও জুলাই যোদ্ধাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভূমিনন্ত্রী বলেন, এ দেশ আমাদের সবার, যা হয়েছে। আর প্রতিহিংসা নয়, কোনো আগুন নয়, ভাঙচুর নয়, কোনো কিছু না সবাইকে মিলে বাস্তবে দেশকে বাঁচাতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আর সেই সঙ্গে আমাদের দেশপ্রেম থাকতে হবে। আর এমন কিছু যেন আমরা না করি। কোনো অপশক্তির যেন সুযোগ না হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আরএমপির শ্রদ্ধা নিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:
“জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
বুধবার সকাল ৯টায় নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আরএমপির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
আরএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ।
