
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পদোন্নতির মাত্র ১ বছর ৩ মাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে নিষিদ্ধ নীতিমালা ভঙ্গ করে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে আল হেলাল মাহমুদকে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে জেলায় তীব্র সমালোচনা দেখা দেয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের পরিপত্র অনুযায়ী ওসি পদে বসার আগে পরিদর্শক হিসেবে অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক হলেও সাবেক পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুর রহমান সেই নিয়ম উপেক্ষা করে তাঁকে পদায়ন করেন।
তথ্য অনুযায়ী, হেলাল মাহমুদ ২০১৩ সালে এসআই হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২৩ সালের অক্টোবরে পরিদর্শকে পদোন্নতি পান। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ওসি হওয়ার যোগ্যতা ২০২৬ সালের আগে ছিল না। অভিযোগ আছে, প্রভাবশালী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ–ঘনিষ্ঠ পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তা, এক অবসরপ্রাপ্ত এএসপি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি শক্তিশালী মহলের সুপারিশেই তাঁকে তড়িঘড়ি ওসি করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ–বানিজ্য, সাধারণ মানুষকে হয়রানি, সাংবাদিকদের নামে সাজানো মামলা, পরিবারগুলোকে হেনস্তা ও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। মন্ত্রণালয়ের তিন দফা তদন্ত ও দুদকের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাঁকে রাজশাহীতে বদলি করা হয়। বদলির খবরে ভুরুঙ্গামারীর বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এটি ছিল “নিয়ম ভঙ্গ ও প্রশাসনিক অস্বচ্ছতার পরিস্কার উদাহরণ।”
