নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও নগদ অর্থসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী ও এক মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৪ আগস্ট কাশিয়াডাঙ্গা থানার কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ি, কাশিয়াডাঙ্গা ও চন্দ্রিমা থানা এবং ১৩ আগস্ট কর্ণহার থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল গোলজারবাগের গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বোয়ালিয়া থানার পাঠানপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো. রাজু (৫৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সহযোগী দরগাপাড়া এলাকার মৃত আজাদ মিয়ার ছেলে মো. আলম মিয়া (৫৮) পালিয়ে যায়। রাজুর কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজু জানিয়েছে, পলাতক আলম দীর্ঘদিন ধরে তার সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা করে আসছে। গ্রেপ্তার রাজুর বিরুদ্ধে আরএমপির রাজপাড়া থানায় দুটি এবং বোয়ালিয়া থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।
একই দিন বিকেল পৌনে ৬টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ দক্ষিণ বালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. মুন্না (২৯)কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ললিতাহার উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই এলাকার আনসার আলীর ছেলে মো. ইনসার আলী (৪৯)কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৩৫টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৫ হাজার ১৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
এর আগে ১৩ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে কর্ণহার থানা পুলিশ কুপেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিল নেপালপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর ছেলে মো. বাবলু ওরফে বাবু (৪৩)কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দারুসা শাখায় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
আরএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক আসামি আলম মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
