
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর বর্ণালী এলাকায় আবাসিক এলাকায় খোলা জায়গায় গরুর গোয়াল। দুর্গন্ধ, মশা-মাছির অত্যাচারে অতিষ্ঠ প্রতিবেশী। এ বিষয়ে পূর্বে কাউন্সিলর এর নিকট একাধিক অভিযোগ করেও লাভ হয়নি।
জানা যায়, মাসুদুর রহমান আবাসিক এলাকার মধ্যে খোলা জায়গায় গরুর গোয়াল করেছেন। এতে চরম সমস্যায় পড়েছেন প্রতিবেশীরা । খোলা জায়গায় গোয়াল ঘর করার নানান সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। দুর্গন্ধে বাড়িতে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি মশা-মাছির অত্যাচারে চরম সমস্যা। বাড়ির দরজা খোলা যায় না। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাসুদুর রহমানের ভবনটি প্লান ছাড়াই তৈরী এবং সিটি করপোরেশন এর ড্রেনের ওপর বাসাটি নির্মাণ করা হয়েছে। মাসুদুরের বাসার পাশে অপর একজনের ক্রয়কৃত জমি দখল করে রয়েছে।
প্রতিবেশী নাসরিন জানান, বাড়ির পাশেই গরুর খামার। গরুর গোবর ও মলমূত্র থেকে সব সময় দুর্গন্ধ ছড়ায়। বসবাস করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
প্রতিবেশী কাওছার আলী বলেন, দুর্গন্ধে আমাদের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে বসবাস করতে পারছেনা। নোংরা পরিবেশের কারণে মশা মাছির উপদ্রপ বেড়েছে। আমরা এর স্থায়ী প্রতিকার চাই।
অপর এক প্রতিবেশী সুমি জানান, গোবরের গন্ধে রুমে থাকা কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। আমাদের ভাড়াটিয়া থাকতে চায় না। প্রতিনিয়ত তারা আমাদের কাছে অভিযোগ করে। এছাড়াও তার বাসায় ছেলেদের মেস করে রেখেছে । মেসের ছেলেরা সিগারেটের ধুল, ড্রিংকস এর বোতল এসব ফেলে দেয়।
লুৎফর রহমান নামে এক প্রতিবেশী জানান, গোয়াল ঘরের বিষয়ে কাউন্সিলর অফিসে অভিযোগ দিয়েছি তবুও লাভ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লুৎফর রহমান বলেন, গরু পালন করা তো অপরাধ না। আমি গরু পালন করবো কি করবো না এতে কারো অনুমতি নেওয়া লাগবে নাকি! কোরবানি দেওয়ার জন্য আমি গরু পালন করি। এতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা না।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী শাখার টেলিফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করে পাওয়া যায়নি।
আবাসিক এলাকায় বে-আইনীভাবে গড়ে ওঠা পরিবেশ বিধ্বংসী গরুর খামারের ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
