
নিজস্ব প্রতিবেদক:
একই ব্যক্তি একদিকে একটি মামলার আসামি, অপরদিকে আরেক মামলার বাদী, এমনই এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায়। মো আব্দুল হান্নান (৬০) নামে এক ব্যক্তি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, বিস্ফোরণ মামলার আসামি। তবে তিনি সম্প্রতি বাদী হয়ে বোয়ালিয়া থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
আব্দুল হান্নান (৬০) বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার মৃত শুকুর শেখের ছেলে। সে বোয়ালিয়া থানার ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের এর ০৯/৩০ নং মামলার আসামি।
অপরদিকে তিনি বাদী হয়ে গত ২৩ এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করে যার মামলা নং ২৯।
আসামি হয়েও কিভাবে মামলার বাদী হয় এই বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া থানার তদন্ত ওসি জানান, এই বিষয়ে ওসিকে ফোন দেন আমি এই বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
পরবর্তীতে বোয়ালিয়া থানার ওসি মোস্তাক আহমেদকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে আরএমপি মিডিয়া বলেন, ঘটনা সত্যতা আমরা পেয়েছি। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। উদ্বোধন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং আসামি গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। এতবড় ভুল কিভাবে হলো সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এছাড়াও ওসি মোস্তাক আহমেদ যোগদানের পর থেকে একাধিক ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও বোয়ালিয়া থানা এলাকায় আইনৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে বলে জানা যায়।
জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে পবা-মোহনপুর দুই থানায় ওসির দায়িত্ব পালন করেছেন মোস্তাক আহমেদ। তিনি বাগমারার ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের আস্থা ভাজন। ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের গ্রুপিংয়ের কারনে এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক তার পছন্দের প্রার্থী কে নৌকার বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাড় করিয়ে দেন। ওসি মোস্তাক আহমেদ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে এম পি এনামুল হকের আদেশ পালন করেন। এনামুলের প্রার্থী কে জয়ী করার কারনে এবং নৌকার প্রার্থী ফেল করার কারনে তাকে পবা মোহনপুররে পোস্টিং করায় এমপি আয়েন উদ্দীন। সেখানেও তিমি এমপি আয়েন উদ্দীন এর আস্তাভাজন হিসবে কাজ করেন।
