
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর মান্দায় পূর্ববিরোধের জেরে হাবিবুর রহমান (৩০) নামের এক যুবককে ডেকে নিয়ে হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁর মাথার বাম পাশে গুরুতর জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা ক্ষতস্থানে সাতটি সেলাই দিয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় হাবিবুরের বাবা বেলাল হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে মান্দা থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার বারিল্যা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেন মোল্লার পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গতকাল বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে মেহেদী (২৩) নামের এক ব্যক্তি হাবিবুরকে তাঁদের বাড়ির খলিয়ানে ডেকে নিয়ে যান।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে যাওয়ার পর বাদশা (২২) নামের এক ব্যক্তি হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে হাবিবুরের মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথার বাম পাশে কেটে গিয়ে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লাঠি, কাঠের বাটাম ও জিআই পাইপ দিয়ে তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হাবিবুরের চিৎকার শুনে তাঁর বাবা বেলাল হোসেন এগিয়ে গেলে লালবর হোসেন নামের এক ব্যক্তি বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁর ডান পায়ের উরুতে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত হাবিবুর ও তাঁর বাবাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে হাবিবুরের মাথার ক্ষতস্থানে সাতটি সেলাই দেওয়া হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগে বাদশা, লালবর হোসেন, মেহেদী, আশরাফ হোসেন, মকবুল হোসেন, লাবনি বেগম ও লাভলী বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
হাবিবুরের পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
