
সাহিদ হাসান:
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ (জেসিএমএস) বিভাগের সামার-২০২৫ এর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিড় করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এছাড়াও বিভাগের ভলেন্টিয়ারদের কার্যক্রম ছিল নজর কারা।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান, নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. শামীম আহসান পারভেজ, প্রক্টর ড. মো. আব্দুল আউয়ালসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও কো-অর্ডিনেটরবৃন্দ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং অপেক্ষারত অভিভাবকগণের সাথে মতবিনিময় করেন।

বিভাগের কো-অর্ডিনেটর শাতিল সিরাজ জানান, গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যেই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করছে। বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক বছর ধরেই সাংবাদিকতা বিভাগ মানসম্মত পাঠদান ও গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক সাংবাদিকতায় প্রস্তুত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
পরীক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা অনেক ভালো হয়েছে। চান্স হবে ইনশাআল্লাহ। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি এখানে পড়াশুনার মান ভালো। জার্নালিজম বিভাগ থেকে পড়াশোনা করে চাকরির জন্য চিন্তা করতে হবে না, এজন্যই এখানে আসা।
অপর এক পরীক্ষার্থী মিথুন রয় জানান, ফেইসবুকে জার্নালিজম বিভাগের কিছু কার্যক্রম আমার অনেক ভালো লেগেছে এবং বিভাগ সম্পর্কে এক ভাইয়ের থেকে বিস্তারিত শুনেছি। এরপর ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।
উল্লেখ্য, আজ ব্যবসায় প্রশাসন, জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ , কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, নিউট্রিশন এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইংরেজি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামীকাল ৮ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন।
পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা করেন বিভাগের শিক্ষক মো. সাজ্জাদ হোসেন, মুহাম্মদ রাকিব হোসাইন , তন্দ্রা মন্ডল, সাঈদ ইবরাহীম রিফাত, আয়শা সিদ্দিকা, এবং ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
