আজ- মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে পৃথক অভিযানে ১০ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

by Prokash Kal

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে এসকাফ সিরাপ, গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা-পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

আরএমপি সূত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে কাটাখালী থানার পুলিশ নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তৌহিদুল ইসলাম (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে একটি এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

একই দিন সন্ধ্যা সাতটার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার পুলিশ হড়গ্রাম পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইকবাল হোসেন (৩০) ও জিন্নাহ (৩২) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া সুজন হোসেনের ফেলে যাওয়া মোট ১৯০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিন্নাহ দীর্ঘদিন ধরে ইকবাল ও পলাতক সুজনের সহযোগী হিসেবে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন।

সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে চন্দ্রিমা থানার পুলিশ খড়খড়ি বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমির হোসেন (২৭) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ছয়টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।

রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহমখদুম থানার পুলিশ নওদাপাড়া আমচত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগর আলী (৩৬), ফারুক আলী (৩৪) ও সাব্বির হোসেন ওরফে আকাশ (৩১) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে ১৮টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, সাগরের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় তিনটি এবং সাব্বিরের বিরুদ্ধে দুটি মাদক ও একটি পেনাল কোড আইনে মামলা রয়েছে।

এ ছাড়া ২৬ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে পবা থানার পুলিশ তরফ পারিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবু হোসেন (৫৪) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে পবা থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।

একই রাতে মতিহার থানার পুলিশ রাত ১০টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিল্লুর রহমান ওরফে রনি (৩৯) ও সুজন (২৬) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে সাতটি ট্যাপেন্টাডল ও একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, রনির বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মাদক ও একটি পেনাল কোড আইনে মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

You may also like

Leave a Comment

শিরোনাম: