
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বিভিন্ন থানা-পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আরএমপি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট নগরীর রাজপাড়া, কাটাখালী, দামকুড়া, বেলপুকুর, পবা, মতিহার ও বোয়ালিয়া থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এর মধ্যে ২৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে কাটাখালী থানার রনহাট পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. বাবলু তালুকদার (৪৯) ও তাঁর স্ত্রী কুলসুম বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১৫ ও ২০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৫ হাজার ও ৪ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন সন্ধ্যায় বোয়ালিয়া থানার উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশাল ওরফে বিপ্লব (২৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে আটটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজপাড়া থানা-পুলিশের পৃথক অভিযানে রাসেল শেখ (২৯), আতিকুল ইসলাম (৩০), আলিফ হোসেন রবিন (৩৪) ও মোমিনুল ইসলাম ওরফে হৃদয়কে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে মোট ৪৯টি ট্যাপেন্টাডল ও আটটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক বিক্রির ১ হাজার ১৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া কাটাখালী থানার অভিযানে জিয়ারুল ইসলাম (৩৬) নামের একজনের কাছ থেকে ২০টি ট্যাপেন্টাডল, দামকুড়া থানার অভিযানে আসিরুল ইসলাম জয় (২০) নামের একজনের কাছ থেকে ২০টি ট্যাপেন্টাডল এবং বেলপুকুর থানার অভিযানে তরিকুল ইসলাম (২৯) নামের একজনের কাছ থেকে ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পবা থানার পুলিশ বাগসারা স্কুলমোড় এলাকা থেকে শ্যামল (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, মতিহার থানার চরশ্যামপুর এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় শাকিল আলী (২৮) পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর ফেলে যাওয়া ২০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ৮৯০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক শাকিল আলীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
