
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, নগদ টাকা ও মোটরসাইকেলসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে মাদক ব্যবসায়ী এবং দুজনকে মাদকসেবী হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পবা থানার পুলিশ কৈপুকুরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জয়নাল আবেদীন (৬৭) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২৫ গ্রাম গাঁজা ও ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। জয়নালের বিরুদ্ধে পবা থানায় আগের তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই দিন দুপুর পৌনে তিনটার দিকে পবা থানার পুলিশ দাদপুর (বাগিচাপাড়া) গ্রামের রিপন আলী (২৩)-এর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
দুপুর সোয়া তিনটার দিকে কাটাখালী থানার পুলিশ নওদাপাড়া স্কুল মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে মহিদুল বিশ্বাস ওরফে মহিদুল ইসলাম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ৩৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। মহিদুলের বিরুদ্ধে কাটাখালী থানায় একটি এবং পুঠিয়া থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে রাত আড়াইটার দিকে বোয়ালিয়া থানার পুলিশ গৌরহাঙ্গা পুকুরের দক্ষিণ পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাফকাত করিম ওরফে শুভ (৪৪)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ১ হাজার ২০০ টাকা জব্দ করা হয়।
বিকেল ছয়টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার পুলিশ উত্তর গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সুমন (৪৮)-কে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে চারটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ২৫ আগস্ট রাত ১১টার দিকে কর্ণহার থানার পুলিশ দমদমা গ্রামের মো. সাজু (৩২)-এর বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে গাঁজা সেবনের সময় সাজু ও মো. শরিফুল ইসলাম (৩৩) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। সাজুর বিরুদ্ধে ঢাকার পল্লবী থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
আরএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
