
গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি সংবাদমাধ্যমে ‘উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রকল্পের ৯ শতাংশ ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ একপাক্ষিক, ভিত্তিহীন ও বাস্তবতাবিবর্জিত। উক্ত প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণ না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছে যে, প্রকল্প সংক্রান্ত কোনো কাজে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ঘুষ দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য ও মনগড়া।
উল্লেখ্য, অভিযোগকারী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পূর্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক চাপ ও হুমকি প্রয়োগের চেষ্টা করেছে। এ সংক্রান্ত পর্যাপ্ত ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে, যা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সরকার নির্ধারিত বিধি-বিধান ও আর্থিক নীতিমালা অনুসরণ করেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বার্থে আমাদের এই প্রতিবাদলিপিটি যথাযথ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রফেসর ডাঃ মোহাঃ জাওয়াদুল হক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি)।
