
এম এ রশিদ, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১২ নম্বর গাবুরা ইউনিয়নে সুন্দরবননির্ভর বনজীবীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, বনদস্যুদের সঙ্গে যোগসাজশ, জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ে সহযোগিতা এবং সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মেহেদী হাসান, গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি.এম. বিল্লাল হোসেন ও ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জি.এম. ইয়াসিন আরাফাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন স্থানীয়রা। বক্তব্য দেন আজমুন্নাহার, রওসানআরা বেগম, সালাউদ্দিন আহমেদ ও জনাব আলিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সুন্দরবননির্ভর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের কাছ থেকে অভিযুক্তরা ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন এবং এর একটি অংশ বনদস্যুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে প্রভাব বিস্তার এবং সুন্দরবনগামী বনজীবীদের হয়রানির অভিযোগও করা হয়।
মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলায় পলাতক আসামি থাকার দাবিও করেন বক্তারা। এ-সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের নাম ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তাকে শ্যামনগর এলাকায় আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয় এবং পরদিন শ্যামনগর থানার মামলা নং-২০, ধারা ৩৬৫/৩৮৬, পেনাল কোডে মামলা হয়; পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মানববন্ধন থেকে এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা যাচাইপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুন্দরবননির্ভর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়।
