
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), মতিহার থানা ও মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২৯টি মাদক ও একটি জুয়া প্রতিরোধ আইনের মামলার আসামি সেলিমসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডিবি পুলিশ রাজপাড়া থানার লক্ষ্মীপুর বাকির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. সেলিম হোসেনকে (৬০) গ্রেপ্তার করে। তাঁর বাড়ি থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২ দশমিক ৭ গ্রাম হেরোইন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩৩ হাজার ২২০ টাকা উদ্ধার করা হয়। সেলিমের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৯টি এবং জুয়া প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, ১২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ খোঁজাপুর জাহাজঘাট গ্রামে অভিযান চালিয়ে মো. আলম হোসেনকে (৪১) গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই গ্রামের মো. হাসান শেখের ছেলে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিন ভোর সোয়া ৬টার দিকে মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মির্জাপুর আবহাওয়া অফিস সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে নতুন বুধপাড়া (বরিংপুকুর) গ্রামের মো. মহসিন আলী সরকারের ছেলে মো. নাইমুর রহমান দুর্জয়কে (২৪) গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী পূর্বপাড়া গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে আইমান আলিফ (২৫) ও রায়হান (৩০) পালিয়ে যান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আরএমপি।
